কুফুরী মতবাদ:যেমন ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম, ডারউনিজম, ন্যাচালারিজম, বাউলতন্ত্র, লালনবাদ, ইলহাদীসুফিজম, সেক্যুলার গনতন্ত্র, সেক্...
কুফুরী মতবাদ:যেমন

ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম, ডারউনিজম, ন্যাচালারিজম, বাউলতন্ত্র, লালনবাদ, ইলহাদীসুফিজম, সেক্যুলার গনতন্ত্র, সেক্যুলার জাতীয়তাবাদ, সেক্যুলার আইন, সেক্যুলার শাসন, সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্হা, সেক্যুলার অর্থনীতি, সেক্যুলার রাজনীতি, সেক্যুলার আদালত বিচার ব্যবস্হা, সেক্যুলার সমাজ ব্যবস্হা, সেক্যুলার সংস্কৃতি, ফ্রিসেক্সিজম, বস্তুবাদ, সংশয়বাদ, অজ্ঞেয়বাদ, এবাহীবাদ, ইলহাদ যানদাকা, হিন্দুইজম, কাদীয়ানিয়াত, বাহাইবাদ, খ্রিষ্টানমিশনারীজম, ফ্রয়েডবাদ, লেলিনবাদ, মার্কসবাদ, রবীঠাকুরবাদ, পোপবাদ, জড়বাদ, বৌদ্ধবাদ, ফ্রিম্যসনবাদ, ইসতিশরাকিয়াতের কিয়দাংশ, ইলুমিনাতী, ইলহাদী বিজ্ঞানবাদ ইত্যাদি
এসব কুফুরী মতবাদে তাকফির ফরয,বাংলাদেশে এসব নিয়ে তাকফির হয়না.এসব মতবাদে বিশ্বাসীদের সাথে ছেলে মেয়ের বিয়ে শাদি হারাম,এদের সাথে কুরবানীতে অংশগ্রহণ হারাম,এদের জবাইকৃত প্রাণী খাওয়া হারাম,এদের মুসলিম নিয়মে জানাযা হারাম,মুসলিম কবরস্হানে কাফন- দাফন হারাম,
এসব নিয়ে বাংলাদেশের সকল ধর্মীয় হালকার মধ্য হতে কোন হালকারই মুনাযেরে জামান,খতিবুল উম্মাহ,সুলতানুল ওয়ায়েজিন ,ইসলামিক স্কলার,গ্র্যান্ড মুফতীসহ কোন আলেমের ওয়াজ ফতোয়া অতীতেও আসেনি,এখনও নাই,ভবিষৎতেও কোন দিন আসবেনা বলে আমি হলফ করলেও কাফফারা লাগবেনা,
ফতোয়া না আসার কারন:

এসব বিষয়ে ওয়াজ বা ফতোয়া দিলে শরিরের হাড় মাংশ সব রক্ত আর ক্যলসিয়ামে পরিনত হবে এমন ওয়াজ বা ফতোয়ায় কোন টাকা পয়সা পাওয়া যাবেনা বরং জীবনই চলে যাবে এমন ওয়াজ বা ফতোয়ায় কাফের নাস্তিকদের ক্ষতি হবে আর মুসলমানদের লাভ হবে,তাই ফতোয়া দেয়া যাবেনা
তবে ওয়াজ এবং ফতোয়া সবই চলবে ভিন্নমতের মুসলমানদের বিরুদ্ধে সুনামীর গতিতে.ওয়াজ মাহফিল,জুমা,লিখনি,দরস তাদরিস, সভা-সেমিনার-সিম্পজিয়াম, খানকা, ইসলাহী মজলিসসহ সব স্হানে
কারণ,এখানে ওয়াজ আর ফতোয়া দিলে কোন মার নাই, বরং টাকা পয়সা আছে,আছে পদ পদবী, এতে মুসলমান,ইসলাম,মিল্লাত,উম্মত,দেশের যত ক্ষতি হয় হোক.আমার তো আখের ঠিক, এসব কিছুর কারন হল জাহালত
এই অকাট্য কুফুরির কয়টা এদেশের আমরা তলাবা উলামারা জানি ?
এসব নিয়ে কোন হালকার ধর্মীয় শিক্ষাসিলেবাসে একটি কিতাব পর্যন্ত নেই.কিন্তু প্রতিটি হালকার মাদরাসায় বিপরীত মতের মুসলিমের বিরুদ্ধে উসকানি,তাহরিফে ঠাসা এমন গাদা গাদা বইয়ে সিলেবাস ভরপুর,

আমরা উলামারা কাফের ,গোমরাহ,জাহান্নামীফতোয়ার যত কামান দাগাই তার সবই মশা আর মাছি মারতে তথা ছোটখাট মাসয়ালা বা ইজতিহাদ নির্ভর ইখতেলাফী আকিদায় ভিন্নমতধারী মুসলিমের বিরুদ্ধে,এভাবে মুসলিম মুসলিমে মারামারি ফতোয়াবাজিতে কামানের গোলা তথা ইসলামী শক্তিশেষ হয়ে যায়,আর তখনি বাঘ সিংহ আনাকোন্ডা সাপ তথা উপরে উল্লেখিত অকাট্য বাতিল রাম বাম এসে আমাদের খতম করে দেয়. এসব বিষয়ে তাকফির না করাটা জঘন্য ভয়ংকর ফিতনা.বরং বাংলাদেশে এখন চলছে অকাট্য কুফুরে লিপ্তদের সাথে দহরম মহরম প্রেম প্রিতী ভালবাসার চুড়ান্ত আদান প্রদান.তাদের নেতৃত্বে হজ্ব করন, সকল গ্র্যান্ড মুফতী গ্রেনেড মুফতীই তো সেই বরকতময় হজ্ব কাফেলার সৌভাগ্যবান সদস্য.
ফতোয়া এখন কার বিপরীত দরকার???যদি বেচে থাকতেন ইমাম আমিনী রহ. ,কি ফতোয়া তিনি দিতেন,কার বিরুদ্ধে দিতেন,দিনশেষে সবাই শাহবাগী ফ্রড ফরিদের মুক্তাদী হলাম কি না???
ইমাম আমিনী,রহ.শায়খুল হাদিস রহ.সহ পুর্ববর্তী সকল সালাফদের নীতি ও পথ অনুসরনে আজই মুসলিমদের পরস্পরে ছোটখাট ইখতেলাফী আকিদা ও মাসয়ালায় কাদা ছোড়াছুড়ি বাদ দিয়ে কালিমার ভিত্তিতে সকল মুসলিমকে এক করে অকাট্য কুফুরে লিপ্তদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে হবে গোমরাহ মুসলিমদের সাথে নিয়ে.অন্যথায় ঈমান ইসলাম মুসলিম সব কিছুই স্পেনের ন্যায় ধ্বংস হয়ে যাবে.
হে আল্লাহ আমাদের দ্বীনের সহিহ ফিকহ ও ফাহম দান করুন,দলের উর্ধে উঠে ইসলাম, মুসলিম মিল্লাত,দেশের দরদ ও তা নিয়ে চিন্তা- ভাবনা ফিকির করার তৌফিক দান করুন.আমিন
কোন মন্তব্য নেই