Page Nav

HIDE

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Grid

GRID_STYLE

শিরোনাম

latest

ভয়ংকর হারাম রিলেশন

কতটা ভয়ংকর এই হারাম রিলেশনশিপ। তুমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ছো,প্রতিদিন ২/৩ বেলা কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করছো, মেয়েরা পর্দা করছো নবীর সুন্নত মে...

কতটা ভয়ংকর এই হারাম রিলেশনশিপ। তুমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ছো,প্রতিদিন ২/৩ বেলা কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করছো, মেয়েরা পর্দা করছো নবীর সুন্নত মেনে চলছো, নিয়মিত কত দোয়া করে যাচ্ছো।

কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার যে তোমার কোনো ইবাদতই হয়তো কবুল হচ্ছেনা ,কারণ তুমি দিনের পর দিন একটা হারাম সম্পর্ক মেইনটেইন্স করে যাচ্ছো। তোমার কোনো ধারণায় নেই এর ভয়াবহতা সম্পর্কে।

এই হারাম রিলেশনের অপর নাম দেয়া যায় যেনা। যেখানে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,”তোমরা যেনার কাছেও যেওনা”। তাহলে দেখো তূমি প্রতিদিন নামাজ-কালাম, পর্দা সবকিছু করছো ঠিক তবে যেনায় লিপ্ত থেকে। নাউজুবিল্লাহ।

তাহলে এবার ভাবো তোমার ইবাদত গুলো কিভাবে কবুল হবে? – একটা বেগানা নারী/পুরুষের সাথে দিনের পর দিন হারাম রিলেশনে থেকে তোমার “দুনিয়া ও আখিরাত” বরবাদ হয়ে যাচ্ছে।

আর এই আল্লাহর অবাধ্যতায় ডুবে থেকে তুমি কখনো ভালো থাকতে পারবে না। তোমার ইমান,আমল, সময় , বর্তমান, ভবিষ্যৎ সব ধ্বংস হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত যে হারাম রিলেশনে থাকা মানুষটিকে তুমি জীবন সঙ্গী হিসেবে পাবে তারও কোনো গ্যারান্টি নেই। অধিকাংশ হারাম রিলেশনের শেষ পরিনতি হয় বিচ্ছেদ ও ধোঁকা। কিন্তু পাপগুলো তোমার আমল নামায় থেকে যাচ্ছে।

যদি এটা ভাবো যে বিয়ের করার উদ্দেশ্যে তুমি তার সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছো। তবে এটা মনে রাখবে_ হজ্বের উদ্দেশ্যে যেমন ডাকাতি করা জায়েয নেই / কোরবানির উদ্দেশ্যে যেমন গরু চুরি করা জায়েয নেই। ঠিক তেমন বিবাহের উদ্দেশ্য হারাম রিলেশনে থাকাও জায়েজ নেই। “বিয়ে হচ্ছে দ্বীনের অর্ধেক ” নবীর সুন্নাহ।

তাই হালাল সম্পর্ককে হারামের মাধ্যমে পূর্ণতা দেয়া ইসলাম সমর্থিত নয়।

প্রিয় ভাই/বোন তুমি ঐ মহাদিনের শাস্তির কথা স্মরণ করে আজকেই তাকে ছেড়ে দাও (অনেকদিনের সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়া কঠিন তারপরেও পাপের কথা, যিনা কথা মনে করে, আল্লাহকে সন্তুষ্টির জন্য তোমাকে তো ছাড়তেই হবে!.।

তোমার মনে হতে পারে, এখন হঠাৎ করে যদি তাকে ছেড়ে দেয় তো সে কষ্ট পাবে। তুমি একজন বেগানা নারী/পুরুষের জন্য এতোটা ভাবছো যে কিনা বিচার দিবসে তোমার জাহান্নামের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। অথচ তোমার রব তোমাকে এতো নিয়ামত দিয়ে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন শুধুমাত্র তার বিধান মেনে তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য। আর তুমি-আমি দিনের পর দিন স্রষ্টার অবাধ্য হয়ে থাকে অসন্তুষ্ট করছেন। আস্তাগফিরুল্লাহ

কোন মন্তব্য নেই