Page Nav

HIDE

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Grid

GRID_STYLE

শিরোনাম

latest

ওপেন চ্যালেঞ্জ

❝ইসলাম পরিত্যাগকারী ত্বগুত, কাফির, মুশরিক, মুরতাদ ও মুনাফিকরা! তোমাদেরকে চ্যালেঞ্জ করছি! তোমরা সবাই! সবাই! মিলে মুসলিমদের বিরুদ্ধে জড় হও ষড়য...

❝ইসলাম পরিত্যাগকারী ত্বগুত, কাফির, মুশরিক, মুরতাদ ও মুনাফিকরা! তোমাদেরকে চ্যালেঞ্জ করছি! তোমরা সবাই! সবাই! মিলে মুসলিমদের বিরুদ্ধে জড় হও ষড়যন্ত্র করো! আমাদেরকে সামান্য পরিমাণও অব্যাহতি অবকাশ দিও না! বরং আল্লাহ তায়ালাই আমাদের জন্য যথেষ্ট:❞
=========❖=========

✿ আল্লাহ আঝ-ঝা-ওয়াজাল্লাহ বলেন..

وَٱتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ نُوحٍ إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِۦ يَٰقَوْمِ إِن كَانَ كَبُرَ عَلَيْكُم مَّقَامِى وَتَذْكِيرِى بِـَٔايَٰتِ ٱللَّهِ فَعَلَى ٱللَّهِ تَوَكَّلْتُ فَأَجْمِعُوٓا۟ أَمْرَكُمْ وَشُرَكَآءَكُمْ ثُمَّ لَا يَكُنْ أَمْرُكُمْ عَلَيْكُمْ غُمَّةً ثُمَّ ٱقْضُوٓا۟ إِلَىَّ وَلَا تُنظِرُونِ

—❝(হে নবী) তাদেরকে নূহের কাহিনী পড়ে শোনাও, যখন সে তার কওম বা জাতিকে বলেছিল, ‘হে আমার জাতি বা সম্প্রদায়! আমার অবস্থান ও আল্লাহর আয়াতসমূহ দ্বারা তোমাদের প্রতি আমার উপদেশ দান যদি তোমাদের নিকট ভারী মনে হয়, তবে আমি আল্লাহর উপরই ভরসা করি। সুতরাং তোমরা তোমাদের শরীকদেরকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত বা করণীয় করো, অতঃপর তোমাদের সিদ্ধান্তের বা কাজের ব্যাপারে তোমাদের মাঝে যেন অস্পষ্টতা না থাকে, এরপর আমার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করো (আমার সাথে যা করতে চাও করে ফেল), আমাকে কোন অবকাশই দিও না।❞ সুরা ইউনুস ১০:৭১

✿ অন্য আয়াতে আরো বলা হয়েছে..

مِن دُونِهِۦۖ فَكِيدُونِى جَمِيعًا ثُمَّ لَا تُنظِرُونِ

—❝তাঁকে (আল্লাহ) ব্যতীত, অতঃপর তোমরা সকলে সবাই মিলে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কর বা করতে থাক, এরপর আমাকে একটুও বা সামান্যও অবকাশ দিও না।❞-সুরা হুদ ১১:৫৫

✿ অন্য আয়াতে আল্লাহ ﷻ বলেন..

اَلَّذِیۡنَ قَالَ لَہُمُ النَّاسُ اِنَّ النَّاسَ قَدۡ جَمَعُوۡا لَکُمۡ فَاخۡشَوۡہُمۡ فَزَادَہُمۡ اِیۡمَانًا ٭ۖ وَّ قَالُوۡا حَسۡبُنَا اللّٰہُ وَ نِعۡمَ الۡوَکِیۡلُ ﴿۱۷۳﴾

—❝যারা তাদেরকে মানুষরেরা (খবর) বলেছিল যে, ‘নিশ্চয় লোকেরা তোমাদের বিরুদ্ধে (কাফেরদের এক বিশাল বাহিনী) জড় বা সমবেত হয়েছে। সুতরাং তাদেরকে ভয় করো। কিন্তু (এ বিষয়টাই যারা যথার্থ ইমানদার) তাদের ঈমান বাড়িয়ে দিয়েছিল এবং তারা বলেছিল, ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।❞ সুরা ইমরান:১৭৩


🔸 উপরের কয়েকটি আয়াত থেকে বুঝতে পারি যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে রসূল ﷺ- এর উপর নতুন নির্দেশ এসেছে, তা হচ্ছে, তিনি তার উম্মতের কাছে নুহ(আ.)-এর কাহিনী বর্ণনা করে শুনাবেন, যে কাহিনীর ভেতরে রয়েছে নূহ(আ.)-এর স্বীয় উম্মতকে চ্যালেঞ্জ করা তাদের বাতিল মাবুদ বা ইলাহকে এবং তাগুতি শক্তিকে পড়য়া না করে। আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করা।

—আমরা যদি নবীদের নূহ(আঃ), মূসা(আঃ) ও ইউনুস(আ.)-এর ঘটনার প্রতি লক্ষ করি তাহলে দেখতে পাই যে, তাদের সম্প্রদায়ের লােকেরা তাদের বিরুদ্ধে যে রূপ নিয়েছিল। আরবের মুশরিরকরাও রসূল ﷺ ও তাঁর প্রতি ঈমান আনয়নকারী কিছু মুসলমানের সাথে সেই ভূমিকা নিয়েই হাযির হয়েছে। সে দিক থেকে উভয় ঘটনার মাঝে চমৎকার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। যেমনিভাবে পূর্ববর্তী নবী ও তাদের অনুসারীরা সংখ্যায় নগ্ন বা কম হওয়া সত্তেও ক্ষমতাধর তাগুত শাসক ও তাদের অনুগতদের বিরুদ্ধে অটল ছিলাে, তেমনিভাবে ভাবে রাসূল ﷺ ও তাঁর অনুসারীরা বীরত্বসহকারে শিরক-কুফরপন্থী শাসক ও তাদের অনুগামীদের মুখােমুখি হয়েছিলেন। এখনো মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঠিক সে রকমী দেখা যায় যে, কুফ্ফাররা মুসলিমদের চিরতরে ধ্বংস করা জন্য উঠে পড়ে লেগেছে! কিন্তু বাতিল ইলাহ ও তাগুতি শক্তি জানে না যে, মুসলিমরা এমন এক জাতি যাদেরকে চিরতরে ধ্বংস করা অসম্ভব হাস্যকর!!।। আল্লাহ বলেন..
قُلْ حَسْبِیَ اللّٰهُؕ عَلَیْهِ یَتَوَكَّلُ الْمُتَوَكِّلُوْنَ
«বলো! আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। নির্ভরকারীরা আল্লাহর উপর নির্ভর করে»। সুরা যুমার:৩৮
অপর আয়াতে আরও বলেন..
اِنِّیۡ تَوَکَّلۡتُ عَلَی اللّٰہِ رَبِّیۡ وَ رَبِّکُمۡ
«নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ উপরই ভরসা করি। যিনি আমার ও তোমাদের রব»।সুরা হুদ:৫৬
অন্য আয়াতে বলেন..
اَلَیۡسَ اللّٰہُ بِکَافٍ عَبۡدَہٗ ؕ وَ یُخَوِّفُوۡنَکَ بِالَّذِیۡنَ مِنۡ دُوۡنِہٖ ؕ وَ مَنۡ یُّضۡلِلِ اللّٰہُ فَمَا لَہٗ مِنۡ ہَادٍ ﴿ۚ۳۶﴾
«আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নন? অথচ তারা তোমাকে আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদের ভয় দেখায়। আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য কোনো পথ নেই»। সুরা যুমার:৩৬

والله تعالى أعلى وأعلم

কোন মন্তব্য নেই